
সিরাজদিখানে হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাকো, সেতু নির্মাণের দাবী!
মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো। তবে সেটিও নিজেদের অর্থে তৈরি করেছেন স্থানীয়রা।উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের সিরাজদিখান- নিমতলা সড়ক সংলগ্ন রশুনিয়া গ্রামসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের হাজারও মানুষের পারাপার ও চলাচলের জন্য বাঁশ দিয়ে এ সাকোটি তৈরি করা হয়। স্থানীয়রা জানান, বহু বছর ধরে এভাবেই গ্রামবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে ও উদ্যোগে প্রতি বছর বছর বাঁশের এ সাকোটি তৈরি করে চলাচল ও পারাপার করে আসছেন। নির্বাচনের আগে জণপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়ে পাকা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের কেউই খবর নেয় না। শেষ পর্যন্ত নিজেদেরই বাঁশ দিয়ে বানানো সাকো দিয়েই চলাচল করতে হয়। কিছুদিন পর পর সাঁকো আমাদেরকেই মেরামত করে নিতে হয়। এলাকার ছোট শিক্ষার্থীসহ নানা বয়সী হাজারো নারী-পুরুষ বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে ভোগান্তির শিকার হলেও দেখার কেউ নেই। তাই আমরা ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলতে চাই আমাদের চলাচলের জন্য অনতিবিলম্বে সাকোটি ভেঙে যাতে পাকা সেতু নির্মাণ করে দেওয়া হয়৷ বিষয়ে নিয়ে কথোপকথোনের সময় রশুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আবু সাঈদ বলেন, আমরা ইতিপূর্বে একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করার জন্য চেষ্টা করেছি। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ থেকে মেরামত করে দিয়েছি। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ সাকোটি দিয়ে যাতায়াত করে বিধায় এটির গুরুত্ব অনক বেশী। আমরা খুব দ্রুতই ব্রীজটি নির্মান করার জন্য চেষ্টা করবো।