
ধর্মীয় অবমাননার ঘটনায় কঠোর অবস্থান ইমরান হোসেনের: “সবার আগে ধর্ম, তারপর দেশ, তারপর দল”
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–র মনোনয়নপ্রত্যাশী ইমরান হোসেন সাম্প্রতিক ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে কঠোর ও পরিষ্কার অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন,
“আমি কোনো অন্ধ দলপ্রেমিক নই; সবার আগে ধর্ম, তারপর দেশ, তারপর দল। যে কোনো বিষয়ে আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্ত ক্ষতিকর—কিন্তু ধর্মের প্রতি অবমাননা বরদাশত করা যায় না।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বাউল শিল্পী আবুল সরকারের কথিত বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে বলেন,
“আউল-বাউল ইসলামকে কটাক্ষ করলে তাকে মানবতার দোহাই দিয়ে সমর্থন করা যাবে না। যদি কারো অন্তরে ঈমান থাকে, সে এসব নিন্দনীয় মন্তব্য মেনে নিতে পারে না।”
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন—
“আপনার দলের নেতার সমালোচনা আপনি নিতে পারেন না, সেখানে স্বয়ং আল্লাহকে নিয়ে কেউ বেয়াদবি করলে তা কোন সংস্কৃতির মধ্যে পড়ে? আমাকে বুঝিয়ে বলুন। আমি একজন মুসলিম হিসেবে দেশের প্রচলিত আইনে তার বিচার ও শাস্তি দাবি করছি।”
তবে তিনি একই সঙ্গে হামলা–সহিংসতা বা মব গঠনকে কড়া ভাষায় নিন্দা করেন:
“কেউ অপরাধ করুক বা না করুক—জনতা তৈরি করে হামলা করা কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়। আইন নিজের পথে চলুক; রাষ্ট্রই বিচার করবে।”
ইমরান হোসেন জানান, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা যেমন অপরাধ, তেমনি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়াও বড় অন্যায়।
“স্বয়ং রাব্বুল আলামিনের ওপর আঘাত–স্বরূপ আচরণ কোনোভাবেই সমর্থন করব না, তবে বিচার হবে আইনের মাধ্যমে—এটাই আমি চাই,” বলেন তিনি।
রাজনৈতিক মহল মনে করছে—ইমরান হোসেনের এই অবস্থান দলের ভেতর ও বাইরে দু’দিকেই আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলছেন, তিনি ধর্মীয় সংবেদনশীলতার পাশাপাশি আইনের শাসন ও সহনশীল রাজনীতির দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন।